প্রধান পরিকল্পনা :
গুণগত শিক্ষার মাধ্যমে কেবল মেধার মানবিকীকরণ সম্ভব-এই সত্য আমাদের অন্তরে গ্রথিত। আমরা সেই সত্যের বাস্তব প্রয়োগে সর্বদা সজাগ আছি। কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা বিকাশের লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নানামুখী সহশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা, এই বিদ্যালয়ের একটি পুরনো ঐতিহ্য। মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রতিবছরই ভালো ফলাফল অর্জনের ধরাবাহিকতা অক্ষুণ্ণ রেখেছে বিদ্যালয়টি। এই অর্জনের পিছনে রয়েছে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দের নিরলস পরিশ্রম ও বস্তুনিষ্ঠ দিক-নির্দেশনা। এই বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী, সকল বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ ও কর্মচারীদের নানাবিধ সুবিধার জন্য একটি ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরির কাজ আমরা ইত্যেমধ্যে সম্পন্ন করেছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তৃতি যেমন অপরিহার্য, তেমনি প্রযুক্তি-বান্ধব মনন তৈরির বিষয়টিকেও গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা দরকার। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে, এই ওয়েবসাইট, একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমার প্রত্যাশা। বিদ্যালয়ের নানাবিধ কর্মকাণ্ডের তথ্য যেমন শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীরা জানতে পারবে, তেমনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা ব্যবস্থাপনার সাথে সংযুক্ত নানাক্ষেত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দও সেইসব তথ্য সহজেই অবগত হবেন। ফলে ক্লাস-রুটিন থেকে শুরু করে বিষয়ওয়ারী পাঠ পরিকল্পনা, ভর্তি-পরীক্ষা ফলাফল এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের হালনাগাদ ডাটাবেজ, শিক্ষা কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও সময়োপযোগী করে তুলবে বলে আমার বিশ্বাস। আমি মনে করি, এই ওয়েব সাইটটি সরকারী সেসিপ প্রকল্প ভুক্ত শহরন্দ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন, যার মধ্যে দিয়ে বিদ্যালয়ের সার্বিক অগ্রগতির পরিচয় ফুটে ওঠবে। সময়ের সাথে সংগতি রেখে, ভবিষ্যতে, এই ওয়েবসাইটকে আরো সমৃদ্ধ করা হবে, যাতে সংশ্লিষ্ট সবাই অধিকতর সুবিধা পায়। এছাড়া শ্রেণী কক্ষগুলোকে পর্যায়ক্রমে মাল্টিমিডিয়ার সহায্যে ক্লাশ নেওয়ার উপযোগী করে তোলা হচ্ছে, যাতে শিক্ষকদের ক্লাশ নেওয়া সহজ হবে এবং শিক্ষার্থীরা শ্রেণী কক্ষে মনোযোগী হবে।।
প্রতিষ্ঠান প্রধানের বাণী
কালের পরিক্রমায় ও প্রযুক্তির উন্নয়নে একটি ওয়েবসাইটের গর্বিত মালিক হওয়া এখন আর ততটা ব্যয়বহুল নয়। আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠাণকে আলোঘরে রূপায়ন করতে আমরা নির্মাণ শ্রমিকের ভূমিকায় দাঁড়াতে চাই। আমার প্রতিষ্ঠাণের প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে পৌছে দিতে চাই প্রযুক্তি ও সময়ের সু-বাতাস। একটি ওয়েবসাইট প্রস্তুত থাকে ৩৬৫ দিন চব্বিশ ঘণ্টা পৃথিবী ব্যাপি জীবনযাত্রাকে সহজতর করার কাজে। শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে ইন্টারনেটের সংযোগ কতটা সহায়ক, আধুনিক প্রতিটি মানুষই সে বিষয়ে জেনে থাকবেন। কালের পরিক্রমায় ও প্রযুক্তির উন্নয়নে একটি ওয়েবসাইটের গর্বিত মালিক হওয়া এখন আর ততটা ব্যয়বহুল নয়। আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠাণকে আলোঘরে রূপায়ন করতে আমরা নির্মাণ শ্রমিকের ভূমিকায় দাঁড়াতে চাই। আমার প্রতিষ্ঠাণের প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে পৌছে দিতে চাই প্রযুক্তি ও সময়ের সু-বাতাস।
প্রতিষ্ঠাতার বাণী
আপনি নিশ্চয়ই একমত হবেন, আজ কাল যখনই হোক আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠাণকে ওয়েবসাইটসহ অন্যান্য অনলাইন ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসতেই হবে। সময়ের স্রোতকে আমরা অস্বীকার করতে পারি না। সে স্রোতকে যদি আমরা শুভ মনে করি, তাহলে তাতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করা হবে আধুনিকতারই মঙ্গল চর্চা। সরকারের পক্ষ থেকে ইউনিয়ন কাউন্সিল ভিত্তিক ওয়েবপোর্টালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠাণের সামান্য তথ্য রাখলেও শিক্ষার্থীদের সেসব কাজে আসছে না। অগনিত শিক্ষার্থীকে উপযুক্ত তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠাণের নিজস্ব ওয়েবসাইট ডেভেলপ করার বিকল্প নেই। বর্তমানে ‘জ্ঞানই শক্তি’ ধারণার চেয়ে ‘তথ্যই শক্তি’ ধারণাকে শক্তিশালী মনে করা হচ্ছে। একটি ওয়েবসাইট প্রস্তুত থাকে ৩৬৫ দিন চব্বিশ ঘণ্টা পৃথিবী ব্যাপি জীবনযাত্রাকে সহজতর করার কাজে।
অনলাইনে ভর্তির আবেদন
রেজাল্ট লিংক
গুরুত্বপূর্ণ লিংক